SAS Tec Generation

Our services Writer

Administrator

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper suscipit .
Erat volutpat. Ut wisi enim ad minim veniam, quis nostrud exerci tation ullamcorper.

  • ANIS MARKET, 92 MOMIN ROAD, JAMAL KHAN, CHITTAGONG.
  • +880-031-611677, +880-000-000
  • sastecgeneration@gmail.com
  • www.sastecgeneration.com
Me

My Professional Skills

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

Web Design 90%
Web Development 82%
App Development 55%
Blogger 99%

Awesome features

Aliquam commodo arcu vel ante volutpat tempus. Praesent pulvinar velit at posuere mollis. Quisque libero sapien.

Animated elements

Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Sed tempus cursus lectus vel pellentesque. Etiam tincidunt.

Responsive Design

Pellentesque ultricies ligula a libero porta, ut venenatis orci molestie. Vivamus vitae aliquet tellus, sed mollis libero.

Modern design

Duis ut ultricies nisi. Nulla risus odio, dictum vitae purus malesuada, cursus convallis justo. Sed a mi massa dolor.

Retina ready

Vivamus quis tempor purus, a eleifend purus. Ut sodales vel tellus vel vulputate. Fusce rhoncus semper magna.

Fast support

Suspendisse convallis sem eu ligula porta gravida. Suspendisse potenti. Lorem ipsum dolor sit amet, duis omis unde elit.

0
completed project
0
design award
0
facebook like
0
current projects
  • জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে উদ্বেগ জানাবে বাংলাদেশ

    জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশ চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত একটি দেশ। প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় নিজেদের রাজস্ব ফান্ড খরচ করে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার লড়াই করতে হচ্ছে। এ জন্য ৩৬টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ কাজ করছে। প্যারিস চুক্তির আগে ডিএফআইডিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা বাংলাদেশকে ফান্ড দিতো। এখন ওই ফান্ডও বন্ধ করে দিয়েছে তারা। এ জন্য বাংলাদেশ গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
    শিল্পোন্নত দেশগুলোকে এমন বার্তা দিতে বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নিতে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের টিম জার্মানির বন-এ এসেছে। পরিবেশ ও বন মন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন ২৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল হাই লেভেল সেগমেন্টসহ বিভিন্ন সেশনে অংশ নেবে। প্রতিনিধি দলে আছেন- পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. হাছান মাহমুদ খন্দকার, পরিবেশ ও বন উপমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম, পরিবেশ ও বন সচিব ইশতিয়াক আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব নূরুল কাদিরসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এদের মধ্যে শুক্রবার হাছান মাহমুদ বনে এসে পৌঁছান। মন্ত্রিপরিষদ সচিব আসছেন বুধবার। পরিবেশ ও বন সচিব সবার আগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়ের কয়েক কর্মকর্তাকে নিয়ে কপ-২৩তে এসেছেন। পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আজ শুরু হওয়া উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সূত্রে জানা গেছে, পরিবেশ ও বনমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি বড় টিম গতকাল বন-এ এসে পৌঁছেছেন। ভ্রমণক্লান্তি কাটাতে বিশ্রাম নিয়েছেন তারা। ঠাণ্ডা আবহাওয়া ও ঝিরিঝিরি বৃষ্টির কারণে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা হোটেলের বাইরে বের হননি। দুয়েক জন বাইরে বের হলেও মার্কেট বন্ধ থাকায় আবার হোটেল রুমে ফিরে যান। এদিকে গত বৃহস্পতিবার পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কপ-২৩তে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ সম্পর্কে জানানো হয়। ওই সময় পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু সাংবাদিকদের জানান, এ ধরনের কনফারেন্সে বাংলাদেশের উপস্থিতি একান্ত প্রয়োজন। কারণ, আবহাওয়ার পরিবর্তনে যে দেশগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশ সেই দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। তাই আমরা যাচ্ছি পুরনো কথাগুলোই বলার জন্য এবং কী অগ্রগতি হয়েছে, তা জানতে। তিনি জানান, কপ-২৩ তে আমাদের উদ্বেগ জানালেই একটি বিশেষ দেশের অবস্থান পরিবর্তিত হবে- এটা আমি বিশ্বাস করি না। এই পরিস্থিতিতেও বিশ্বব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংকগুলো অর্থ ধার দেবে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয় যে টাকাগুলো পেতাম যেমন- বৃটিশদের ডিএফআইডি, তা কিন্তু পাচ্ছি না। তাই আমি বলবো প্যারিস চুক্তির আগেই আমরা ভালো ছিলাম। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সূত্রে জানা গেছে, জলবায়ু সম্মেলনে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশ তিনটি বডিতে সদস্য হিসেবে রি-ইলেকটেড হয়েছে। এর মধ্যে একটি হচ্ছে অভিযোজন ফান্ড বোর্ড। যেখানে ২২টি সদস্য দেশ রয়েছে। অন্যটি এক্সিকিউটিভ কমিটি অব লস অ্যান্ড ড্যামেজ। এই বডিতে রয়েছে ২০টি সদস্য দেশ। আরেকটি হচ্ছে কনসালটেটিভ গ্রুপ। এ গ্রুপেও ২০টি দেশ রয়েছে। বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের এক উচ্চ পর্যায়ের সদস্য মানবজমিনকে বলেন, কপ-২৩ তে আশার আলো দেখা যাচ্ছে না। শিল্পোন্নত দেশগুলোর সদিচ্ছা না থাকলে প্রতি বছর বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে অনেক সিদ্ধান্ত হবে কিন্তু বাস্তবায়ন হবে না।
  • মহিউদ্দিন চৌধুরী অসুস্থ

    হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক মেয়র আলহাজ এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। শনিবার রাত ১০টার দিকে তিনি গুরুতর  অসুস্থ বোধ করেন। পরে তাকে চট্টগ্রাম মহানগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে গতকাল রোববার বিকালে হেলিকপ্টারে করে তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গত শুক্রবার বিকালেও তিনি যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি নতুন গৃহকর অ্যাসিসমেন্ট রুখতে নগর যুবলীগের নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকারও আহ্বান জানান।  
    আর এমন একজন সুস্থ মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে ম্যাক্স হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হওয়ায় ভেঙে পড়েন দলীয় নেতাকর্মী ও পরিবারের সদস্যরা।
    হাসপাতালের চিকিৎসক জহির উদ্দিন চৌধুরী জানান, মহিউদ্দিন চৌধুরীর দুটি কিডনিতেই সমস্যা। পা দুটো দুর্বল। শরীর উপরের দিকে ভারি এবং নিচের দিকে হালকা হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে হার্টের বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন তিনি। অনেকবার তার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়েছে। তবুও অনেকটা মনের জোরেই চলছিলেন এ নেতা।
    তিনি জানান, শনিবার রাতে গুরুতর অসুস্থাবস্থায় এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এরপর তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাই অথবা সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
    তার পারিবারিক সূত্র জানায়, মহিউদ্দিন চৌধুরীকে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হতে পারে। তবে কোথায় নিয়ে যাওয়া হবে তা এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সাইফুজ্জামান শেখর তদারক করছেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। আপাতত তাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। সেখানে তাকে দেখতে যান আওয়ামী লীগের সাধারণ ওবায়দুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম এনামুল হক শামীম, ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও উপদপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া। ওবায়দুল কাদের অসুস্থ মহিউদ্দিন চৌধুরীর চিকিৎসার খোঁজ-খবর নেন।
    এদিকে মহিউদ্দিন চৌধুরীর অসুস্থতার খবর পেয়ে গতকাল সকালে নগরীর ম্যাক্স হাসপাতালে ছুটে যান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।
     মেয়রের একান্ত সচিব রায়হান ইউসুফ জানান, মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন  রোববার সকাল সোয়া ১০টা থেকে আধা ঘণ্টারও বেশি সময় মহিউদ্দিন চৌধুরীর পাশে অবস্থান করেন। মেয়র বলেন, হায়াত-মউত সবার জন্য। আল্লাহ না করুক তিনি ছাড়া চট্টগ্রামের রাজনীতি গতি হারাবে। তাই মহিউদ্দিন ভাইয়ের জন্য আল্লাহর দরবারে আমি দোয়া প্রার্থনা করছি। যাতে মহিউদ্দিন ভাই চট্টগ্রামের মানুষের জন্য আমাদের মাঝে আরো হাজার বছর বেঁচে থাকেন। 
    প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী বর্তমান সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনের ঘোরবিরোধী। বিগত সময়ে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতা, নগরীর আউটার স্টেডিয়ামে সুইমিং পুল নির্মাণসহ বিভিন্ন ইস্যুতে তিনি আ জ ম নাছির উদ্দিনকে কটাক্ষ ও তুমুল সমালোচনা করেছিলেন। মাঝে মধ্যে গরম কথা বলে অনুসারী নেতাকর্মীদের উত্তপ্ত করে তুলতেন। হাতে লাঠি নিয়ে আ জ ম নাছিরকে যেখানে পান সেখানে প্রতিরোধের ঘোষণাও দেন তিনি।
  • ডেনিম রপ্তানিতে এগুচ্ছে দেশ

    ডেনিম বা জিন্স পণ্যে বাংলাদেশ এখন বড় ‘সম্ভাবনার’ খাতে পরিণত হয়েছে। বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের মার্কেটে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোকে পেছনে ফেলেছে। ইউরোপের ২৮ দেশে  ডেনিম রপ্তানিতে চীনকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশই এখন শীর্ষ প্রধান রপ্তানিকারক দেশ। দ্বিতীয় তুরস্ক, তৃতীয় পাকিস্তান ও চতুর্থ চীন। ইইউতে ডেনিমের গত বছরের বাজার ছিল ৪৮৩ কোটি ডলার। আগের বছরের তুলনায় বাজার বেড়েছে প্রায় ৪ শতাংশ।
    যার বেশিরভাগ হিস্যা এখন বাংলাদেশের দখলে। পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কমিশনের পরিসংখ্যান বিভাগ ইউরোস্ট্যাটের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেনিম ফ্যাব্রিক্সের প্রচুর অর্ডার পাচ্ছে বাংলাদেশ। চীন এসব ডেনিম ফ্যাব্রিক্স রপ্তানি করা থেকে সরে আসায় বাংলাদেশ এ অর্ডার পাচ্ছে বলে মনে করেন তারা। এ ছাড়া ঠিকমতো কাজ করতে পারলে বাংলাদেশ খুব সহজেই ডেনিম পণ্যের উৎসস্থলে পরিণত হবে।
    তথ্যমতে, ২০১৬ সালে ইইউতে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখন শীর্ষে। আগের বছরের তুলনায় রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। মোট ১২৯ কোটি ডলারের ডেনিম রপ্তানি হয়েছে। আগের বছর এর পরিমাণ ছিল ১১৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে চীন ইইউতে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষ অবস্থান হারিয়েছে। দেশটি ডেনিম রপ্তানিতে চতুর্থ অবস্থানে নেমে গেছে। ইইউতে দেশটির ডেনিম রপ্তানি কমেছে আগের বছরের তুলনায় প্রায় ২১ শতাংশ।
    চলতি বছরের জুন পর্যন্ত হিসেবে ডেনিম পণ্য রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তুরস্ক। তারা এ পর্যন্ত রপ্তানি করেছে ৫৫১.১৪ মিলিয়ন ডলারের ডেনিম। গত বছরের তুলনায় দেশটির প্রবৃদ্ধি ৫.২৮ শতাংশ।
    অন্যদিকে একক প্রধান বাজার যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে এখনো চীনের পেছনে রয়েছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশ এখনো তৃতীয়। যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষ স্থান অক্ষুণ্ন আছে চীনের। তবে, আলোচ্য বছরে চীনেরও রপ্তানি কমেছে ৩৬ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে মেক্সিকো। গত বছর প্রায় ৫৬ কোটি ডলারের ডেনিম রপ্তানি করেছে দেশটি। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান।
    যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) তথ্যমতে, চলতি বছরের জানুয়ারি ও জুলাইয়ের মধ্যে ডেনিম পণ্য রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ ৩৯২.৭১ মিলিয়ন ডলার আয় করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার বাংলাদেশের আয়ের পরিমাণ বেড়েছে ৬.৬১ শতাংশ। তবে, মার্কিন বাজারে শীর্ষ রপ্তানিকারক চীনের এবার রপ্তানি ৩.০৩ শতাংশ কমেছে। তাদের এবারের রপ্তানি আয় ৮৮৫.৮২ মিলিয়ন ডলার। যা গত বছরে ছিল ৯১৩.৫৯ মিলিয়ন ডলার। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপারেল মার্কেটে বাংলাদেশের যেসব ডেনিম বেশি যাচ্ছে সেগুলো হলো- ব্লু ডেনিম ট্রাউজার্স ডব্লিউজি, ব্লু ডেনিম ট্রাউজার্স এমবি, ব্লু ডেনিম স্কার্ট, ব্লু ডেনিম জ্যাকেট, ব্লু ডেনিম স্যুট টাইপের কোট এমবি, প্লে স্যুট ও সানস্যুট।
    সাবেক বিজিএমইএ সভাপতি আবদুস সালাম মুর্শেদী বলেন, বাংলাদেশি ডেনিম পণ্যের চাহিদা বিশ্বে দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে এই ইন্ডাস্ট্রিকে আরো উদ্ভাবনী হতে হবে। তিনি বলেন, বিশ্ববাজারে টিকে থাকতে হলে ডিজাইনের ক্ষেত্রে আরো ভ্যারিয়েশন আনার পাশাপাশি আমাদের প্রোডাক্টগুলোর দাম বাড়াতে হবে। 
    ডেনিম রপ্তানি কেন বাড়ছে: জানা গেছে, আমদানি পর্যায়ে সময় ব্যয় না হওয়ায় রপ্তানিতে লিডটাইম (রপ্তানি আদেশ পাওয়ার পর ক্রেতার কাছে পণ্য পৌঁছানোর সময়) কম লাগছে। ফলে ডেনিম রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ তুলনামূলক বেশি। ডেনিমের দামও তুলনামূলক বেশি। এ ছাড়া সমপ্রতি পাট থেকে ডেনিম কাপড় তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পাট ও তুলার মিশ্রণে তৈরি করা সুতা থেকে বানানো হবে ডেনিম।
    বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) হিসেবে, বর্তমানে বাংলাদেশে ৩২টি ডেনিম মিল রয়েছে। এগুলোর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৪৪২ মিলিয়ন মিটার। এসব মিলে কাজ করেন ২০ হাজারেরও বেশি শ্রমিক। আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে আরো ১০টি নতুন ডেনিম মিল কোম্পানি আসার সম্ভাবনা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ২০২১ সালে ডেনিমের চাহিদা ১২০ কোটি গজে পৌঁছবে।
    সম্প্রতি ঢাকায় দু’দিনের ডেনিম প্রদর্শনী হয়ে গেলো। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের ডেনিমকে জনপ্রিয় করতে নিরলস কাজ করছে ডেনিম এক্সপার্টের এমডি মোস্তাফিজ উদ্দিন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বড় বাজার ইউরোপ ও আমেরিকা শীতপ্রধান দেশ। ওইসব দেশে ডেনিমের চাহিদাই বেশি। তবে সম্ভাবনা শতভাগ কাজে লাগাতে বাংলাদেশের সক্ষমতা বিশ্বব্যাপী জানান দিতে আন্তর্জাতিক মানের ব্র্যান্ডিং কর্মসূচি প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই গত কয়েক বছর ধরে ঢাকায় আন্তর্জাতিক মানের ডেনিম প্রদর্শনী করা হচ্ছে। এতে বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারছেন ক্রেতারা। ঢাকার ডেনিম প্রদর্শনী এখন ডেনিমের সবচেয়ে বড় বিশ্ব আসর।
    যত চ্যালেঞ্জ: ডেনিমের কাপড় তৈরি করতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কাজ চলাকালে লোডশেডিং হলে ডেনিম কাপড়ের মান নিয়ন্ত্রণ কষ্টকর। এ ছাড়া, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লে নতুন করে বিনিয়োগ করাও অসম্ভব হয়ে পড়বে। এ ছাড়া কাপড়ের জন্য বাইরের উৎসের ওপর নির্ভরশীল না হওয়াটাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এখনো প্রায় ৬০ শতাংশ ডেনিম কাপড় আমদানি করতে হয়। সেজন্য আমাদের গবেষণা, উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনের ওপর আরো জোর দিতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
  • আশ্রয় শিবিরে যৌন নির্যাতন সহ নানা হয়রানির শিকার রোহিঙ্গা শিশুরা

    নামমাত্র অর্থের বিনিময়ে কাজ করছে রোহিঙ্গা শিশুরা। তা সত্ত্বেও তাদেরকে প্রহারের শিকার হতে হয়। কখনো কখনো তাদের ওপর চালানো হয় যৌন নির্যাতন। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এমন তথ্যপ্রমাণ হাতে পেয়েছে। কক্সবাজারের কুতুপালং থেকে এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়েছে, রয়টার্সের নিরপেক্ষ রিপোর্টগুলো একত্রিত করেও এ প্রমাণ মিলেছে।
    বাংলাদেশে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে শিশুদের বেপথে পরিচালনা করা ও পাচার বিষয়ে অনুসন্ধান করে আইওএম। তাদের এ তদন্তকে ‘এক্সক্লুসিভ বেসিস’ বা নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে দেখে রয়টার্স। এতে দেখা গেছে, ১১ বছর বয়সী রোহিঙ্গা মেয়েদের বিয়ে দেয়া হচ্ছে। মিয়ানমারে নৃশংসতার শিকার হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে কমপক্ষে ৬ লাখ রোহিঙ্গা। এর মধ্যে সাড়ে চার লাখই শিশু। মোট রোহিঙ্গার শতকরা ৫৫ ভাগই তারা। এসব শিশু বসবাস করছে নাজুক আশ্রয় শিবিরে। তাদের দিকে চোখ পড়েছে অসাধু চক্রের। কক্সবাজারের এএসপি আফজুরুল হক টুটুল বলেছেন, শিশুরা যাতে বেরিয়ে যেতে না পারে তা ঠেকাতে বসানো হয়েছে ১১টি চেকপয়েন্ট। যদি দেখা যায় কেউ রোহিঙ্গা শিশুদের দিয়ে কাজ করাচ্ছে তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মালিককে শাস্তি দেয়া হবে। আই্ওএম রোহিঙ্গাদের আশ্রয় শিবিরগুলোতে বিভিন্ন জনের সঙ্গে কথা বলেছে। দীর্ঘদিন এখানে আছেন এবং সম্প্রতি যারা এসেছেন তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছে তারা। আলাদাভাবে তাদের সাক্ষাতকার নিয়েছে রয়টার্স। তাতে দেখা গেছে, আশ্রয় শিবিরগুলোতে রোহিঙ্গা শিশুরা ভাল নেই। আইওএম বলছে, রোহিঙ্গা শিশুদের টার্গেট করছে লেবার এজেন্ট বা শ্রমে নিয়োজিত করানোর দালাল। তারা এসব শিশুকে উৎসাহিত করছে। এক্ষেত্রে তারা বেছে নিচ্ছে শিশুদের পিতামাতাকে। দুর্ভোগে পড়ে এমনিতেই তারা বিপর্যস্ত। তার ওপর অর্থের লোভ দেখানো হয় তাদেরকে। ফলে ওইসব পিতামাতা সহজেই সন্তানকে কাজ করার অনুমতি দেন অথবা বাধ্য করেন। তৃতীয় শ্রেণির পর পড়াশোনার সুযোগ খুবই সীমিত। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ৭ বছর বয়সী রোহিঙ্গা ছেলে ও মেয়ে শিশুরা আশ্রয় শিবিরের বাইরে গিয়ে কাজ করছে। ছেলে শিশুরা কাজ করছে বিভিন্ন কৃষিকাজে, খামারে, অবকাঠামো খাতে, মাছ ধরা বোটে, চায়ের দোকানে আবার কখনো রিক্সা চালাচ্ছে। অন্যদিকে মেয়ে শিশুরা গৃহকর্মে অথবা পরিবারের সন্তানদের দেখাশোনার কাজ করছে। তারা পার্শ্ববর্তী কক্সবাজর, চট্টগ্রামে বিভিন্ন বাসাবাড়িতে এসব কাজ করছে। এক রোহিঙ্গা দম্পতি স্বীকার করেছেন। বলেছেন, তাদের ১৪ বছর বয়সী মেয়ে কাজ করছিল চট্টগ্রামে এক বাসায়। এক পর্যায়ে সে ওই বাসা থেকে পালিয়ে যায়। ফিরে আসে আশ্রয় শিবিরে। তখন তার হাঁটার শক্তি ছিল না। ওই শিশুটির মা বলেছেন, তার মেয়েকে নিয়োগকারীর পরিবার শারীরিক নির্যাতন করেছে। যৌন নির্যাতন করেছে। ওই পরিবারের পুরুষ সদস্যটি ছিল মাদকাসক্ত। রাতের বেলা সে ওই রোহিঙ্গা বালিকার বেডরুমে প্রবেশ করতো। তাকে ধর্ষণ করতো। ৬ থেকে ৭ বার সে এ কাজ করেছে। ‘এর বিনিময়ে ওই নিয়োগকারীরা আমাদেরকে কোন অর্থ দেয় নি। কিচ্ছুই না’। তবে তার এ দাবিকে যাচাই করা যায় নি। তবে এ ঘটনা অন্য ঘটনাগুলোর মতোই, যা রেকর্ড করেছে আইওএম। যাদের সঙ্গে কথা বলে আইওএম ও রয়টার্স তাদের তথ্য উপস্থাপন করেছে, তাদের বেশির ভাগই বলেছেন, রোহিঙ্গা নারীরা এক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হন। তাদেরকে ধর্ষণ করা হয়। তাদেরকে যারা ধর্ষণ করে তাদেরকে বিয়ে করতে বাধ্য করা হয়। রয়টার্স লিখেছে, তারা অনুসন্ধানে দেখতে পেয়েছে রোহিঙ্গা শিশুরা কর্দমাক্ত রাস্তাঘাটে উদ্দেশ্যহীনভাবে একা একা ঘোরাঘুরি করছে। বসে আছে তাঁবুর বাইরে। রাস্তার পাশে ভিক্ষা করছে বহু শিশু। জাতিসংঘ এজেন্সিগুলো এবং দাতব্য সংস্থাগুলোর জন্য কাজ করে ইন্টার সেক্টর কো-অর্ডিনেশন গ্রুপ। তারা এ মাসে বলেছে, নিঃসঙ্গ ২৪৬২ টি শিশুকে তারা সনাক্ত করেছে। এসব শিশু আশ্রয় শিবির থেকে আদালাত। তাদের দাবি, এ সংখ্যা আরো অনেক বেশি হতে পারে। শিশুদেরকে কাজে পাঠিয়েছে এমন সাতটি পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতকার নিয়েছে রয়টার্স। তারা সবাই বলেছেন, ভয়াবহ অমানবিক অবস্থায় তাদের সন্তানদের কাজ করতে হয়। বেতন দেয়া হয় অকল্পনীয়ভাবে কম। শিকার হতে হয় নির্যাতনের। এমনই একটি রোহিঙ্গা শিশুর নাম মুহাম্মদ জুবায়ের। তার পরনে ময়লাযুক্ত ফুটবলের একটি টিÑশার্ট। তাকে দেখে মনে হয় বয়স ১২ বছর। তবে তার মা বলেছেন, তার বয়স ১৪ বছর। জুবায়ের বলেছে, তাকে দিনে আড়াইশ টাকা বেতন দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়। কিন্তু সড়ক নির্মাণের একটি কাজে এ প্রস্তাবে ৩৮ দিন কাজ করানোর পর তাকে দেয়া হয়েছে মাত্র ৫০০ টাকা। জুবায়ের ও তার পরিবার থাকেন কুতুপাংয়ের একটি শিবিরে। সে আরো বলেছে, তাকে রাস্তার মেরামত কাজে কঠিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। এ সময় তাকে মারাত্মকভাবে খারাপ খারাপ গালি শুনতে হয়েছে তার নিয়োগকর্তার মুখ থেকে। এক পর্যায়ে সে বেশি অর্থ দাবি করে। ফলে এমন নির্যাতন বাড়তে থাকে। তাকে কাজ থেকে চলে যেতে বলা হয়। তবে তাকে কারা কাজ দিয়েছিল তা জানাতে অস্বীকৃতি জানায়। এরপর এক মাসের জন্য একটি চায়ের দোকানে কাজ নেয় জুবায়ের। সেখানে দু’শিফটে কাজ করতে হয় তাকে। ভোর ৬টা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত চলে কাজ। মাঝখানে বিকালে চার ঘন্টার বিরতি। তবে তাকে দোকান ছেড়ে যেতে দেয়া হতো না। তাকে দিনে মাত্র একবার তার পিতামাতার সঙ্গে কথা বলতে দেয়া হতো। জুবায়ের বলে, সেখানেও আমাকে বেতন দেয়া হয় নি। তাই আমি পালিয়ে চলে এসেছি। আমি ভয়ে ছিলাম। মনে করেছিলাম আমার মালিক লোকজন নিয়ে এখানে আশ্রয় শিবিরে চলে আসবে এবং আমাকে আবার নিয়ে যাবে। ওদিকে বেশির ভাগ পিতামাতাই তাদের মেয়ে শিশুদের আগেভাগে বিয়ে করতে বাথ্য করে। তারা মনে করে এতে মেয়ের সুরক্ষা হয়। আর্থিক স্থিতিশীলতা আসে সংসারে। আইওএম দেখতে পেয়েছে, এমন বিবাহের শিকার কনেদের অনেকের বয়স ১১ বছর। তবে এ বয়সেই তাদের অনেকে স্বামীর সংসারে গিয়েছে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে। দ্বিতীয় স্ত্রীকে আবার খুব তাড়াতাড়ি ছেড়ে দেয়া হয়। তাদেরকে অর্থকড়ি না দিয়ে পরিত্যক্ত ফেলে রাখা হয়। আইওএমের পাচার বিরোধী বিশেষজ্ঞ কাতিরইয়ানা আরদানিয়ান বলেছেন, আশ্রয় শিবিরগুলোতে শোষণ, নিষ্পেষণ একটি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। অন্য মেকানিজম যতটা দ্রুত না পারে তার চেয়ে দ্রুত এ পরিস্থিতির ব্যবহার করে পাচারকারীরা।
  • জ্বীনে মেরেছে শিশু আইমানকে?

    মানবজমিন: দুই দিন আগে নিজ বাড়ির রান্নাঘরে মিলেছে ৫ বছরের শিশু আইমানের রক্তমাখা মরদেহ। এর আগে দু’দিন নিখোঁজ ছিল শিশুটি। খোঁজে পাওয়ার পর বলা হচ্ছে-শিশু আইমানকে জ্বীনে মেরে রান্নাঘরে লুকিয়ে রেখেছে। শিশুটির পরিবারের লোকজনই এমন দাবি করছেন। তিন চাচা-চাচী ও তাদের স্বজনদের সুরে প্রতিবেশীদের অনেকেও এই কথা বিশ্বাস করছে এখন। ছেলে হারিয়ে পাগল প্রায় মায়ের মুখেও একই কথা।
    ‘আমার ছেলেকে জ্বীনে মেরে লুকিয়ে রেখেছে।’ সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের মা হওয়ায় তার চোখে-মুখে আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। যদি এই সন্তানেরও একই পরিণতি হয়Ñ এমন শঙ্কা তাড়া করে ফিরছে মাকে।
    চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার কাউন্সিলর ইসমাইল হোসেন চৌধুরী আবু বলেন, আইমান হক কায়েপের বাবা এজহারুল হকও নিরব, নিথর হয়ে গেছেন। ছেলে তো চলেই গেছে এখন কিছু বলেও আর কি লাভÑ এমন চিন্তা থেকে থানায় অভিযোগ করেন নি তারা। তবে নিখোঁজ হওয়ার আগে একটি সাধারণ ডায়েরী করেছিলেন। যার সূত্র ধরে পুলিশ থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন।
    পুলিশও বিশ্বাস করতে চাইছেন না, শিশু আইমান হক কায়েপকে জ্বীনে মেরে নিজ বাড়ির রান্নাঘরে লুকিয়ে রেখেছে। বরং প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট এবং আলামতে আইমান হক কায়েপকে হত্যা করা হয়েছে বলেই ধারণা পুলিশের। আর এই হত্যাকান্ডের জন্য শিশু আইমানের পরিবারের দিকেই আঙুল তুলছেন বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিমাংশু কুমার দাস রানা।
    তিনি বলেন, জ্বীন কেন একটা শিশুকে মর্মান্তিকভাবে হত্যা করবে। আর হলেও পুলিশ তা জানতে চায়। ঘটনার আলামত ও সম্ভাব্য তথ্য উপাত্ত সামনে রেখে এ হত্যাকান্ডের তদন্ত চলছে বলে জানান তিনি।
    ওসি আরও বলেন, আইমান হক কায়েপের লাশ উদ্ধারের সময় তার নাকে রক্তমাখা ছিল। তার মলদ্বার ছিল অস্বাভাবিক। জিহ্বা বাহির হওয়া ছিল। এ থেকে বোঝা যায় তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে।
    তাছাড়া যে রান্নাঘরে সবসময় রান্নার কাজ চলে। পরিবারের সবাই যাতায়াত করে সেখানে নিখোঁজ দু‘দিন তার লাশ পাওয়া যায়নি। দু‘দিন পর হঠাৎ লাশ এলো কোথা থেকে। নাকি জ্বীনে রেখে গেছে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা হচ্ছে বলে জানান ওসি।
    প্রসঙ্গত, চট্টগ্রামের বোয়ালখারী পৌরসভার পূর্বগোমদন্ডী দরপপাড়া বদরুছ মেহের চেয়ারম্যান বাড়ীর এজাহারুল হকের বড় ছেলে আইমান হক কায়েপ গত বৃহস্পতিবার নিখোঁজ হয়। তাকে অনেক খোঁজাখুঁঁিজর পর না পেয়ে শুক্রবার সকালে আইমানের চাচাতো ভাই শওকত হোসাইন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
    কিন্তু শনিবার দুপুরে নিজ বাড়ির রান্নাঘরের কোণায় লুকানো শিশু আইমান হক কায়েপের মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট এবং আলামত সংগ্রহ শেষে রবিবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে মরদেহটি প্রেরণ করে।
    ময়না তদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর বিস্তারিত কারণ জানা যাবে বলে জানান থানার উপপরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন।
    প্রতিবেশিরা জানান, আইমানের বাবা চার ভাইয়ের মধ্যে তৃতীয়। আইমানের বড় চাচা পরিবার নিয়ে পৃথক বসবাস করলেও বাকিরা যৌথভাবে থাকেন। আইমানের বাবা এলাকায় ক্ষুদ্র ব্যবসা করেন ও চাচারা সবাই প্রবাসী। পরিবারে তিন চাচী ও চাচাতো ভাইরা আছেন। আইমানের বাবা এজাহারুল হক গত ৩০শে অক্টোবর দ্বিতীয় সন্তানের জনক হন। এ নিয়ে আনন্দে মেতেছিল পরিবারটি। আইমান নিখোঁজ ও মৃত্যুর ঘটনায় ¤¬ান হয়ে যায় সব আনন্দ।
  • দীর্ঘদিন পর সেন্টমার্টিনে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল শুরু

    মানবজমিন: পর্যটন মৌসুম শুরু হলেও রাখাইনে সহিংসতা ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের জেরে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর আজ সোমবার টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রায় চার শতাধিক পর্যটক নিয়ে সোমবার সকাল ১০ টায় দমদমিয়া জেটি ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে পর্যটকবাহী জাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদ রওয়ানা করেছে। এদিকে প্রতিবছর অক্টোবর মাস থেকে পর্যটন মৌসুম শুরু হলে সেন্টমার্টিনে পর্যটকদের ঢল নামে। কিন্তু চলতি বছর মিয়ানমারে সহিংসতা শুরু হওয়ায় নিরাপত্তা জনিত কারণে কর্তৃপক্ষ জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেয়নি। কারণ হিসাবে জানা গেছে সেন্টমার্টিন যাওয়ার পথে জাহাজ গুলোতে এক জায়গায় নাব্যতা সংকটের কারণে মিয়ানমার জলসীমা দিয়ে চলাচল করতে হয়।
    সর্বশেষ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক জাহাজ চলাচলে অনুমতি দিয়েছেন। টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌপথের অভিজাত জাহাজ কেয়ারি সিন্দাবাদ টেকনাফের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
    তিনি জানান, বৈরী আবহাওয়া ও রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন অজুহাতে প্রশাসনের অনুমতি না পাওয়ায় পর্যটক মৌসুম শুরু হলেও জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ায় এই রুটে পর্যটকবাহী চলাচলে অনুমতি দিয়েছে নৌ-মন্ত্রণালয়। নৌ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জেলা প্রশাসনও অনুমতি দিয়েছে। এতে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ চলাচলে আর কোনো বাধা রইল না।
    তিনি আরো জানান, টেকনাফের দমদমিয়া ঘাট হয়ে নিয়মিত পথেই জাহাজগুলো চলাচল করবে। দীর্ঘদিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় হোটেল-মোটেল কর্মচারী অভাবে দিনাতিপাত করছিল। অবশেষে অনুমতি নিয়ে সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচলের সংবাদ পেয়ে আনন্দিত হয়েছেন সেন্টমার্টিনদ্বীপের বাসিন্দারা। এদিকে দীর্ঘদিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় পর্যটন নির্ভর ব্যবসায়ী ও সেন্টমার্টিন ব্যবসায়ীদের লোকসান গুনতে হয়েছে। তবুও অবশেষে জাহাজ চলাচল করায় তাদের মধ্যে খুশির আমেজ বইছে। এ রুটে প্রতিবছর পর্যটন মৌসুমে ৬ থেকে ৭ টি জাহাজ নিয়মিত চলাচল করে থাকে। এবং লাখ লাখ পর্যটক সেন্টমার্টিন ভ্রমন করেন। আজ সোমবার একটি জাহাজ ছেড়ে গেলেও পর্যায়ক্রমে আরও জাহাজ যোগ হবে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাওয়ায় সেন্টমার্টিনবাসীর মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। কেননা সেন্টমার্টিনের অধিকাংশ মানুষের জীবিকা পর্যটন নির্ভর।
  • GET A FREE QUOTE NOW

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetuer adipiscing elit, sed diam nonummy nibh euismod tincidunt ut laoreet dolore magna aliquam erat volutpat.

    ADDRESS

    ANIS MARKET, 92 MOMIN ROAD, JAMAL KHAN, CHITTAGONG.

    EMAIL

    contact-sastecgeneration@gmail.com
    sastecgeneration@gmail.com

    TELEPHONE

    ++880 031 611677
    +880 000 000

    MOBILE

    000 0000 00,
    000 0000 00